পহেলা ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে এবারের জাতীয় কবিতা উৎসব

52-jatiyakabitautshab-15012016-0002

শুক্রবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জাতীয় কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি তারিক সুজাত।

‘কবিতা মৈত্রীর কবিতা শান্তির’ স্লোগানে ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বরে হবে কবিতা উৎসবের এই ৩০তম আসব। উৎসবে দেশের কবিদের পাশাপাশি বিদেশের কবিরাও উপস্থিত থাকবেন।

দেশের নানা প্রান্তের কবিরা কবিতা উৎসবে অংশ নিতে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।

সম্মেলনের লিখিতে বক্তব্যে কবি তারিক সুজাত বলেন, “একুশ আমাদের জন্য অন্তহীন সম্ভাবনার উৎস। এই উৎসবিন্দু থেকেই  শুরু হলো বাঙালির প্রগতিশীল সাহিত্যের ভিন্ন ধারা, শুরু হলো স্বপ্নের জাল-বোনা।

“বহু পথ চড়াই উৎরাইয়ের পর একুশ আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভুবনময় স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। আমাদের ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি বিশ্বের কবি-সাহিত্যিকদের আগ্রহ তৈরির বিরাট সম্ভাবনা তৈরি করেছে।”

নতুন দিনের কবিদেরও এই সম্ভাবনা হাতছানি দিচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “প্রবীণের সাথে নবীনদের মেলবন্ধন, ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মিলন, ঘরের গণ্ডি ভেঙে বিশ্বকে আলিঙ্গন করার এখনই সময়-আমরা সেই সম্ভাবনা কথা বলতে এসেছি।

“সেই নতুন দিনের নতুন কবিকে তার নতুন স্বপ্নময় কবিতা দিয়ে সকল অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর মশাল জ্বালিয়ে অশুভকে জয় করে শুভকে জাগিয়ে তোলার আহ্বান, দিকে দিকে ছড়িয়ে দেবার প্রত্যাশা নিয়ে এই উৎসব,” বলেন তারিক সুজাত।

উৎসবে নরওয়ে, সুইডেন, চীন, ভারত ও তাইওয়ানসহ তিন মহাদেশের কবিরা অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন বলে জানান কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মুহাম্মদ সামাদ।

তিনি বলেন, “এই কবিতা উৎসব আজ পৃথিবীর একটি বৃহত্তম কবিতা উৎসবে রূপ নিয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের দেশের কবিদের সঙ্গে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কবিদের একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।”

কবিতা উৎসবকে দেশের কয়েকটি অসাম্প্রদায়িক উৎসবের ‘অন্যতম একটি’ বলে মন্তব্য করেন মুহাম্মদ সামাদ।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় কবিতা উৎসবের আহ্বায়ক কবি রবিউল হোসাইন, কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, কবি আনোয়ারা সৈয়দ হক ও কবি কাজী রোজীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *